আবারো কি ট্রাম্প না অন্য কেউ

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দেশটির ৫৮তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তাতে নিজেদের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট পেয়েছিল মার্কিনিরা। সে সময় এমন একজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, যাকে ভোটাররা তো বটেই, প্রার্থী নিজেও বিশ্বাস করতেন না যে, তিনি কোনো দিন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশটির শীর্ষ পদে আরোহণ করতে পারবেন। কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দেশটিতে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর। সে হিসাবে ট্রাম্পের মেয়াদের অর্ধেকের বেশি চলে গেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ৩ নভেম্বর ২০২০ আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য নামবে মার্কিনিরা।
এ অবস্থায় ট্রাম্পের অবস্থা আসলে কোন পর্যায়ে? বিপরীতে ডেমোক্র্যাটদেরইবা প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে কেমন।

মুলারের রিপোর্ট ও ট্রাম্প
২০১৬ সালের নির্বাচনে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যে অভিযোগটি উঠেছিল, তা হলো ট্রাম্প রাশিয়ার সাথে মিলে ইঞ্জিনিয়ারিং করে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য গঠন করা হয় বিশেষ কমিটি। কিন্তু এ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের ট্রাম্প এত বেশি রদবদল করেছেন, এত বেশি বাধা দিয়েছেন যে, অনেকে এটিই বিশ্বাস করে যে, নিশ্চয় ট্রাম্প এর সাথে যুক্ত আছেন।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার সাথে ট্রাম্পের যোগসাজশ নিয়ে করা তদন্তে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এফবিআইয়ের সাবেক প্রধান রবার্ট মুলার। ২৩ মাসের তদন্ত শেষে এ বছরের মার্চ মাসে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে এ বিষয়ক রিপোর্টটি হস্তান্তর করেন।

মুলারের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মার্কিন নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করতে পুতিন সরকার তৎপর ছিল। তবে তাদের নির্বাচনী হস্তক্ষেপের আকাক্সক্ষার সাথে ট্রাম্প শিবিরের ষড়যন্ত্র বা সমন্বয়মূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মুলার তার রিপোর্টের উপসংহারে বলেছেন, ট্রাম্পকে অপরাধী প্রমাণের মতো তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে তাই বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিরপরাধ বলে দায়মুক্তি দেননি তিনি। বলেছেন, ট্রাম্প অপরাধ করেছেন কি না- তা বলা কঠিন। কংগ্রেস চাইলে এ নিয়ে নতুন করে তদন্ত করতে পারে। ১৮ এপ্রিল প্রকাশিত প্রায় সাড়ে ৪০০ পৃষ্ঠার রিপোর্টে তিনি এ বিষয়ে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রচারণা শিবির বারবারই বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন। এ ধরনের ১১টি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টটিতে। সেই সাথে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে একে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে কংগ্রেসের প্রতি পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

মুলারের রিপোর্টে অবশ্য ট্রাম্পের প্রতি যতটুকু অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ছাড়িয়েও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কারণ মুলার রিপোর্টের এ সাফাইয়ের ফলে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ট্রাম্পের আর কোনো বাধা থাকছে না।

রিপোর্টটি প্রকাশের আগে ৫০ ভাগ মার্কিনি মনে করতেন, ট্রাম্প কিংবা তার নির্বাচনী প্রচারণার সাথে যুক্ত কেউ রাশিয়ার সাথে এক হয়ে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। ৫৮ ভাগের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রুশ তদন্তে হস্তক্ষেপ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রিপোর্টে ট্রাম্পকে নির্দোষই সাব্যস্ত করা হয়। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, নির্দোষ প্রমাণ হওয়ার পরও রবার্ট মুলারের রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স, ইপসোসের চালানো জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা অন্তত শতকরা তিন শতাংশ কমেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ট্রাম্প
ট্রাম্প তার শাসনামলের দুই বছরের কিছু বেশি সময় পার করেছেন। এ সময় আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তিনি এমন কিছু করেছেন, যা করার আগে সাবেক প্রেসিডেন্টরা অনেক বেশি করে ভাবতেন। কিন্তু সব ধরনের সমালোচনাকে পেছনে ফেলে তিনি সে কাজগুলো করেছেন অবলীলায়। দুই বছরের শাসনামলে ট্রাম্পের ব্যতিক্রমধর্মী কর্মকাণ্ডগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

* আগে বিতর্ক এড়াতে যেখানে জেরুসালেম ইস্যুতে এক ধরনের নীরবতা পালন করতেন মার্কিন প্রেসিডেন্টরা, সেখানে ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী বলে স্বীকৃতি দিয়ে দেন নির্দ্বিধায়। * ইরানের সাথে করা পরমাণু অস্ত্র চুক্তি থেকে বের হয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্র। * বেশ কিছু দেশের সাথে বাণিজ্য-বিবাদে জড়িয়ে পড়েন ট্রাম্প। আগের চুক্তিগুলো বাদ দিয়ে নতুন করে চুক্তি করেন তিনি। * দুই দফা উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে সাক্ষাৎ করেন, সাক্ষাৎ করেন পুতিনের সাথেও।

* পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে শীর্ষ মিত্র হিসেবে কাজ করলেও ট্রাম্প সে ধারা স্থগিত করে দেন। * ফিলিস্তিন ইস্যুতে তিনি শতভাগ ইসরাইলকেই সমর্থন করেন। এমনকি ফিলিস্তিনকে দেয়া বিভিন্ন ধরনের সাহায্য তিনি বন্ধ করে দেন। * মুসলিম অভিবাসীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ কঠিন করে দেন। * মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ ইত্যাদি ইস্যুতে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পুরনো সব ধারাকে তছনছ করে নিজের মত বাস্তবায়ন করেন। এতে তার আন্তর্জাতিক মিত্ররা ক্ষুব্ধ হলেও তা এক প্রকার উপেক্ষাই করে গেছেন ট্রাম্প বারবার। এ ছাড়া কয়েকবার যৌন কেলেঙ্কারিতেও তার নাম জড়িয়ে পড়ে বেশ ভালোভাবেই।

জনপ্রিয়তা কম, সমর্থন বেশি ট্রাম্পের
ট্রাম্পের নেয়া পদক্ষেপগুলোর কড়া সমালোচনা হয়েছে দেশের ভেতরে ও বাইরে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, বিরোধী পক্ষগুলো তার সমালোচনা করলেও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সে বাধা কোনো না কোনোভাবে উতরে গেছেন তিনি। এমনকি দেশের ভেতর যতটুকু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন সাধারণ জনগণের কাছ থেকে, সে রকম ইতিহাস ওবামা, বুশদেরও ছিল। মূলত এ ক্ষেত্রে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের নেয়া পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচিত হলেও তার নিজ দেশের জনগণের জন্য তা ক্ষতিকর নয়। বরং ট্রাম্প যে কাজগুলো করেছেন, তার ফলে সেখানকার ব্যবসায়ীদের অনেক সুবিধা হয়েছে। ফলে তাদের মৌন সমর্থনটা ট্রাম্পের দিকেই রয়ে গেছে, যারা দেশের সুনামের চেয়ে দেশের স্বার্থটাকেই বড় করে দেখেন।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ব্যবসার ক্ষেত্রে বিদেশী পণ্যে বড় অঙ্কের শুল্কারোপ, অভিবাসীদের প্রতি কড়াকড়ি এগুলো সাধারণ মার্কিনিদের জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে না কোনোভাবেই। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ট্রাম্পের নেয়া অনেক সিদ্ধান্তই অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনড় থেকে গেছেন ট্রাম্প। নিজের সিদ্ধান্ত থেকে খুব বেশি সরে আসেননি তিনি। তার এমন আচরণ দেশটির প্রেসিডেন্টদের ঐতিহ্য ক্ষুণœ করেছে বলেও দাবি করে তার বিরোধীরা। এমনকি বেশ কয়েকবার ইম্পিচমেন্টের কাছে চলে গিয়েছিলেন তিনি।

ট্রাম্পের ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’
আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ইসরাইলকে সমর্থন করলেও তাতে কিছু চক্ষুলজ্জার ব্যাপার ছিল। কিন্তু ট্রাম্প এ ক্ষেত্রে একেবারেই খোলামেলাভাবে তেলআবিবকে সমর্থন করতে থাকেন। কিন্তু ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যকার শান্তিতে পৌঁছাতে তিনি তথাকথিত ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ বা ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু তার এই প্রস্তাবনাকে একটি ধাপ্পাবাজি ছাড়া কিছুই নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৭ সালের গোড়ার দিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিজের সিনিয়র উপদেষ্টা ও জামাতা ইহুদি জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ দূত জেসন গ্রিনব্ল্যাটকে সাথে নিয়ে এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন ট্রাম্প।

ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রিডম্যানের পূর্ববর্তী বিবৃতি অনুসারে, এই প্রকল্পটি ইসরাইলকে পশ্চিমতীরের অংশটি দেবে, যা আন্তর্জাতিক আইনে ‘অধিকৃত অঞ্চল’ বলে স্বীকৃত। সান ফ্রান্সিসকো স্টেট ইউনিভার্সিটির আবদুল হাদি বলেন, ‘শতাব্দীর চুক্তিটি ইসরাইলের সপক্ষে একটি ঔপনিবেশিক পরিকল্পনা।’

তিনি আরো বলেন, ‘শান্তি অর্থ ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও আত্মনির্ভরশীলতাকে শ্রদ্ধা জানানো, নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ফিলিস্তিনিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেয়া, শরণার্থীদের নিজেদের ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার দেয়া, বর্ণবাদ ও বৈষম্য দূর করা এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সব অপমানজনক কার্যক্রম বন্ধ করা। যদি এগুলো নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে তাতে কোনো শান্তি থাকবে না। তার মতে, ট্রাম্পের ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি ফিলিস্তিনের স্বার্থকে ভিন্ন দিকে চালিত করার, বিচ্ছিন্ন করার এবং হালকা করার একটি নতুন অপচেষ্টা মাত্র। আগামী মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরিকল্পনাটির বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী প্রস্তুতি
এ দিকে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুইবারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত ২৫ এপ্রিল টুইটারে জো বাইডেন নিজেই ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ২০২০ সালের নির্বাচনে আমি প্রার্থিতা ঘোষণা করছি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, প্রায় কয়েক মাস পরিকল্পনার পর ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন ৭৬ বছর বয়সী জো বাইডেন। তিনি বলেন, আমরা যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজে আট বছর সময় দিই, তাহলে তিনি চিরতরে এ জাতির চরিত্র পরিবর্তন করে দেবেন। আমরা যারা আছি, তা ঘটতে দেব না। এমনটি দেখব না কখনোই। ২০২০ নির্বাচনে এ পার্টি থেকে ইতোমধ্যে সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, কামলা হ্যারিস ও বার্নি স্যান্ডার্সসহ ১৯ জন মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

বর্তমান সময়ে ডেমোক্র্যাটিকের প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ জো বাইডেন। তিনি ছয় মেয়াদের সিনেটর। একই সাথে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দুই মেয়াদেই ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন বাইডেন। তবে তিনি দেশটির ১৯৮৮ এবং ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হয়েও ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনেও প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্রেন টিউমারে তার ৪৬ বছর বয়সী ছেলে বেউ বাইডেন মারা যাওয়ার পর তিনি নিজেই সে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি এখন কোন দিকে গড়াচ্ছে তা বলা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ যে ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ারই কথা ছিল না, তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, যার ইম্পিচমেন্টের মুখোমুখি হওয়ার কথা উঠেছিল কয়েকবার। কিন্তু কাটিয়ে যেতে পেরেছেন। রাজনীতিতে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ হয়েও যিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশটি পরিচালনা করছেন তার নিজস্ব স্টাইলে, আগামী নির্বাচন নাগাদ তার অবস্থান কোন দিকে যাবে, তা বলা মুশকিলই বটে। ফলে আগামীতে ট্রাম্পই ক্ষমতায় থাকবেন, না মার্কিনিরা তাদের নতুন প্রেসিডেন্ট খুঁজে নেবে, তা দেখতে অন্তত আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।