ছোটবেলা থেকেই শখ, ডিপজলের আছে ৮ হাজার কবুতর

ডিসেম্বর ০১ ২০২০, ১৫:০৫

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল এখন খামারি। বাস্তব জীবনে তিনি এখন পশু-পাখির পরিচর্যায় ব্যস্ত। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নয়, কেবল শখের বসেই ডিপজল গড়ে তুলেছেন এই খামার বলে জানিয়েছেন।

সাভারের রাজফুলবাড়িয়ার এই বাড়িতে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়বে এমন হাজার হাজার কবুতর আর পাখির মেলা। দেখে মনে হতে পারে কোনো পেশাদার পশু-পাখি খামারির বাড়ি। যা কিনা বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজলের বাড়ি।

ঘুরে দেখা মেলে বিভিন্ন দেশের ও জাতের প্রায় ৭-৮ হাজার কবুতর। পাংখি, আর্মি, রাণি, জুটপরি, সাফটিলা, চিলা, খাকি, ন্যাপটাসহ প্রায় ২০ জাতের কবুতর রয়েছে এখানে। দলবেঁধে থাকা এমন কবুতরের চমৎকার দৃশ্য যে কারো চোখ জুড়াবে।
রয়েছে ‘রেসার’ কবুতরও। যেগুলো অংশ নেয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়। শুধু কবুতর নয়- রয়েছে বিভিন্ন দেশের ও জাতের এমন বাহারি রং এর পাখি। টিয়া, কাকাতুয়া, লরী, কাইশাপাখি, সেনেগাল, বাজিগরসহ অনেক প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির যে কাউকে মুগ্ধ করবে।

প্রায় সাড়ে তিনশ ছবিতে অভিনয় করা এই অভিনেতা জানান, শখ থেকেই তার এই খামার গড়ে তোলা, কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়। সেই ছোট বেলা থেকেই আমার কবুতর খামারের শখ। আর এই শখ থেকেই কবুতরের খামার গড়ে তোলা।

অনেক দামি দামি কবুতর আছে তার এই খামারে উল্লেখ করে ডিপজল আরও বলেন, ৫ লাখ টাকা দামের কবুতর আছে প্রায় ১০০টি। সব মিলিয়ে প্রায় ৭-৮ হাজার কবুতর। এছাড়াও গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি সবকিছু শখের বসেই পালন করেন বলেও জানান এই অভিনেতা।

বাড়ির আঙিনায় চোখে পড়বে একটি বড় গরুর খামারও। সেখানে বিভিন্ন জাতের গরু যেমন জার্সি, ফ্রিজিয়াম ,ব্রাহামা, সিন্ধি ও ভুট্টি। এসব খামার দেখাশুনার জন্য রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনেকেই একসাথে নানা প্রজাতির কবুতর দেখতে এখানে আসেন।

অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক ডিপজলের আরো বেশ কয়েকটি গরুর খামার রয়েছে। তিনি শখের বসে করলেও জানান কেউ চাইলেই কবুতর, পাখি কিংবা গরুর খামার করে সাবলম্বী হতে পারে।

Share Button