নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি’র থাকার সুযোগ নেই: কাদের

ঈদযাত্রায় মহাসড়কে চালকের ঘাটতি কমাতে মাঝারি যানের চালকদের সুযোগ দেয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে এ ব্যাপারে সড়ক পরিবহন সচিবের সাথে সংশ্লিষ্টদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেছেন ওবায়দুল কাদের। ভারীবর্ষণ না হলে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল এবং রাজধানী থেকে চট্টগ্রামের পথে ঈদযাত্রা এই ঈদে স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এসময় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে মোটামুটি স্বস্তিদায়ক নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটা শান্তিময় পরিবেশ বিরাজ করছে। এই শান্তিময় পরিবেশটাকে ভয়ঙ্কর রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি ও তাদের দোসররা উঠেপড়ে লেগেছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘১/১১ এর মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চক্রান্তটা কিন্তু বিএনপি করছে। মিডিয়ার একটি অংশ তাদের সহযোগিতা করছে। ১/১১ এর কুশীলবদের সঙ্গে মিডিয়ার একটি অংশ ছিল সহযোগী। এখনও একই ষড়যন্ত্র সেই বিএনপিই করে যাচ্ছে। দেশের মানুষ আমাদের সরকারের ওপর খুশি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর খুশি, আমাদের উন্নয়ন অর্জনে জনগণ খুশি। আমরা জানি জনগণ উন্নয়নের দিকে রায় দেবে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আবারও রায় দেবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি বিএনপি ও তাদের দোসররা হুমকি সৃষ্টি করছে।’
নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি থাকার কোনও সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, পার্লামেন্টে তাদের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই। যখন আসার সুযোগ ছিল তখনও তারা আসেনি। তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পর্যন্ত অফার করা হয়েছিল, কিন্তু তারা আসেনি। এবার তারা পার্লামেন্টে উপস্থিত নেই। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি’র থাকার সুযোগ নেই। টেকনোক্রেট দল থেকে কেন নেবো? বাইরে থেকেও তো শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের নেওয়া যেতে পারে।
সরকার যে পদ্ধতিতে নির্বাচনে যেতে চাচ্ছে সেই পদ্ধতি বহাল থাকলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না বলেছে, এক্ষেত্রে রাজনীতির ভবিষ্যত কী- এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘পদ্ধতিটা আমাদের সংবিধানের। পদ্ধতিটা বাংলাদেশের সংবিধানই নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচনটা কীভাবে হবে। আর সংবিধানের এই দায়িত্বটা থাকবে নির্বাচন কমিশনের ওপর। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন পরিচালনার যাবতীয় ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে তাদের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়ে গেছে। ইলেকশন শিডিউল ঘোষণার পর পরই লেভেল প্লেইং ফিল্ড কীভাবে হবে সেটাও নির্বাচন কমিশনের হাতে চলে যাবে।’